শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১

কাজিপুরে ৩ কিঃমিঃ খাল খননে ৪ হাজার কৃষকের ভাগ্য বদলে যাচ্ছে

  •  
  •  
  •  
  •  

গোলাম কিবরিয়া খান স্টাফ রিপোর্টার: কাজিপুর উপজেলার পৌর এলাকার আলমপুর পশ্চিমপাড়া হতে দক্ষিণে গান্ধাইল ইউনিয়নের বরইতলার ধারাবর্ষা বিল পর্যন্ত ৩ কিলোমিটার দীর্ঘ খাল খনন কাজের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। এতে করে ২ থেকে ৩ হাজার একর জমি বছরে ৩ ফসল আবাদের আওতায় আসবে। উপকৃত হবে প্রায় ৪ হাজার কৃষিজীবী পরিবার।

গত ৬ জুন রবিবার খাল খনন কাজের শুভ উদ্ভোধন করেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান সিরাজী। এ সময় তিনি জানান, খালটি পাশ্ববর্তী বানিয়াজান খালের শাখা হিসেবে দুপারের পানি বর্ষায় নিষ্কাশন এবং শুকনা মৌসুমে সেচ কাজে ব্যবহার করে প্রায় ২ হাজার একর জমি আবাদী রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখত। দীর্ঘদিন রক্ষণাবেক্ষণ না থাকায় খালটি ভরাট হয়ে যায়। এতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে ৪ হাজার কৃষকের ২ হাজার একর জমি অনাবাদি হয়ে পড়ে। জলাবদ্ধতা নিরসনে এবং কৃষিকাজে কোন ভুমিকা রাখতে পারছিলনা বিধায় প্রকৌশলী তানভীর শাকিল জয় এমপি খননের যাবতীয় ব্যবস্থা করার মাধ্যমে তাঁর নির্বাচনী ওয়াদা পুরণ করলেন।

পাবনা নাটোর সিরাজগঞ্জ (পানাসি) প্রকল্পের সিরাজগঞ্জ জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী মাজুদ আলম জানান, ৩ কিঃ ২শ মিটার দীর্ঘ খাল খননে প্রায় ১৮ লক্ষ টাকা ব্যায় হবে।

খালটির প্রথমাংশে ৯৭০ মিটার দৈর্ঘ্যে ৮ ফুট গভীর ও ২০ ফুট প্রস্থ, এবং দ্বিতীয়াংশে ২.২২০ কিঃ মিটার খাল ১০ ফুট গভীর ও ২৬ ফুট করে চওড়া করে খনন করা হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ রেজাউল করিম জানান, খনন সম্পন্ন হলে এই এলাকার ২ হাজার একর জমি ৩ ফসলীতে পরিনত হবে। এতে ৪ হাজার কৃষিজীবী পরিবারে স্বচ্ছলতা ফিরবে।

খনন কাজের শুভ উদ্বোধনকালে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদ হাসান সিদ্দিকী, উপজেলা সহকারি প্রকৌশলী মিজানুর রহমান, পৌর মেয়র আব্দুল হান্নান তাং, ঠীকাদার মোঃ লিটন মিয়া।

প্রসঙ্গত গত ১৯৯৮/৯৯ সালে গান্ধাইল ইউনিয়নের বাঐখোলা এলাকায় বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধের কারণে বানিয়াযান খালের মুখটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় উপজেলার বিল এলাকার ৬ টি ইউনিয়নের কয়েক হাজার হেক্টর জমি জলাবদ্ধতার কারণে এক ফসলিতে পরিণত হয়েছে।

শেয়ার করুন »

লেখক সম্পর্কে »

মন্তব্য করুন »

x