সোমবার, ১২ এপ্রিল ২০২১

বরাতের রাতে করোনা থেকে সুরক্ষার মোনাজাত

  •  
  •  
  •  
  •  

নিউজ ডেস্ক:

যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদায় আজ সোমবার (২৯ মার্চ) পালিত হচ্ছে পবিত্র শবে বরাত। সন্ধ্যার পর থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন মসজিদে মাদ্রাসায় ওয়াজ মাহফিল, দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশের শান্তি কামনা ও করোনাভাইরাসের মহামারি থেকে সুরক্ষার জন্য দোয়া করা হয়।

হিজরি বর্ষের শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাতটিকে মুসলমানরা সৌভাগ্যের রজনী হিসেবে পালন করে থাকেন। এদিন করোনাভাইরাস থেকে মুক্তির জন্য মোনাজাত করা হলেও প্রায় সব মসজিদেই মাস্ক ছাড়া অনেক মুসল্লিকে মসজিদে দেখা গেছে। মানা হয়নি শারীরিক দূরত্বের স্বাস্থ্যবিধি।

মাগরিবের নামাজের পর থেকে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদে ‘পবিত্র শবে বরাত এর গুরুত্ব ও তাৎপর্য’ শীর্ষক ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওয়াজ মাহফিল শেষে বাদ এশা দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
ওয়াজ ও দোয়া মোনাজাত করেন বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মুফতি মাওলানা মিজানুর রহমান। জাতীয় মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন বারবার অনুরোধ জানালেও অনেক মুসল্লি মাস্ক ছাড়াই মসজিদে ছিলেন। জাতীয় মসজিদে মোনাজাতে দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে দোয়া করা হয়। এছাড়া করোনাভাইরাসের প্রকোপ থেকে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্ব যাতে রক্ষা পায় ও নিরাপদ থাকে সেজন্যও বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। দোয়া ও মোনাজাতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সাধারণ মুসল্লিরা অংশ নেন।

১৬ মার্চ থেকে পবিত্র শাবান মাস গণনা শুরু হয়। আর ১৪ শাবান হচ্ছে ২৯ মার্চ। শাবান মাসের ১৪ তারিখে দিবাগত রাতটি পবিত্র শবে বরাত। শবে বরাত মুসলমানদের কাছে লাইলাতুল বরাত নামেও পরিচিত। আরবি শব্দ লাইলা অর্থ রাত। অন্যদিকে ফার্সি শব্দ শব অর্থও রাত। আর বরাত অর্থ মুক্তি বা নিষ্কৃতি। শাবান মাসের ১৪ তারিখের এ রাতকে মুক্তির রাত বা নাজাতের রাত হিসেবে অবহিত করা হয়।

বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মুফতি মাওলানা মিজানুর রহমান বলেন, এ রাতে ফরজ ইবাদতের পাশাপাশি নফল ইবাদতের গুরুত্ব দেওয়া হয়। নিজের কৃতকর্মের জন্য আল্লাহ’র কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতে হয়। যে যার সাধ্যমতো নফল ইবাদত করবেন। মৃত ব্যক্তিদের জন্য দোয়া করবেন। তবে অনেকেই হালুয়া, রুটি, আতশবাজিতে মেতে উঠেন এসব ঠিক নয়। এমন চর্চা থেকে বিরত থাকা উচিত।

এদিকে পবিত্র শবে বরাতে আতশবাজি, পটকাবাজি নিষিদ্ধ করেছিল ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। তবে ঢাকা শহরের অনেক জায়গায় পটকা ফোটাতে দেখা গেছে।

 

শেয়ার করুন »

লেখক সম্পর্কে »

মন্তব্য করুন »

x