রবিবার, ০১ আগস্ট ২০২১

সিরাজগঞ্জের মহাসড়কে ১৫ কিলোমিটার যানজটে নাকাল ঘরমুখো মানুষ

  •  
  •  
  •  
  •  

নিজেস্ব প্রতিবেদক: ঈদযাত্রায় উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার সিরাজগঞ্জের মহাসড়কে চাপ বাড়ছে দূরপাল্লার বাস ও অন্যান্য গণপরিবহনের। শনিবার (১৭ জুলাই) সকালে বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম থেকে হাটিকুমরুল গোল চত্বর এলাকার ২২ কিলোমিটার সড়কের ঢাকাগামী লেনে প্রায় ১৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজট দেখা দিয়েছে।

এছাড়াও ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের চান্দাইকোনা এলাকাতেও প্রায় ৬ কিলোমিটার সড়কজুড়ে যানজট ও যানবাহনে ধীরগতি দেখা গেছে।

গণপরিবহনের চালক ও যাত্রীরা জানান, টাঙ্গাইলের টোল প্লাজা বন্ধ থাকা, নলকার পুরাতন ঝুঁকিপূর্ণ সেতু ও মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণের কাজের কারণে এই ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। বঙ্গবন্ধু পশ্চিম পাড় এলাকা থেকে ঢাকামুখী লেনে প্রায় মফিজ মোড় এলাকা পর্যন্ত প্রায় ৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজট তৈরি হয়েছে এবং বাগবাড়ি এলাকা থেকে নলকা সেতু হয়ে হাটিকুমরুল গোলচত্বর এলাকা পর্যন্ত প্রায় ৬ কিলোমিটার যানজট দেখা গেছে। চান্দাইকোনা এলাকাতেও প্রায় ৪ কিলোমিটার রাস্তাজুড়ে যানজট ও ধীরগতি রয়েছে।

এ সময় মহাসড়কে সবচেয়ে বেশি নজরে পড়েছে ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কোরবানির পশু পরিবহনের যানবাহন। এছাড়াও মহাসড়কে যাত্রীবাহী দূরপাল্লার বাস, প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেলসহ অন্যান্য যানবাহন দেখা গেছে।

হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহজাহান আলী বলেন, রাস্তার গাড়ির প্রচুর চাপ বেড়েছে। ওই দিকে কড্ডা এলাকার যানজট ও নলকা সেতু এলাকার যানজট কখনো কখনো এক হয়ে যাচ্ছে। সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ার কারণে সেখানে সাবধানতা অবলম্বন করা হচ্ছে। এসব কারণে নলকার পূর্বপাশ থেকে হাটিকুমরুল গোলচত্বর এলাকা পর্যন্ত যানজট তৈরি হচ্ছে। তবে সকালের তুলনায় এখন যানজট কমেছে।

মহাসড়কের কড্ডার মোড় এলাকা থেকে ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টিআই) মো. আব্দুল গণি জানান, ভোরে টাঙ্গাইলের টোল প্লাজা বন্ধ থাকার কারণে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছিল। এখন ঢাকাগামী মহাসড়কে কিছুটা যানজট থাকলেও উত্তরবঙ্গগামী মহাসড়ক অনেকটাই স্বাভাবিক রয়েছে।

শেয়ার করুন »

লেখক সম্পর্কে »

মন্তব্য করুন »

x