রবিবার, ১৬ মে ২০২১

হেফাজতের কমিটি বিলুপ্তি ও আহবায়ক কমিটি গঠন রাজনৈতিক কৌশল

  •  
  •  
  •  
  •  

নিউজ ডেস্ক: হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় ও মহানগর কমিটি বিলুপ্ত এবং আহবায়ক কমিটি গঠন-এ সবকিছুই তাদের রাজনৈতিক কৌশল বলে মনে করছেন আওয়ামী লীগ নেতারা।

তারা বলছেন, এর মধ্য দিয়ে বাবুনগরী শাক দিয়ে মাছ ঢেকে পার পাবার চেষ্টা করছেন। তবে দৃষ্কৃতিকারীরা কোনভাবেই ছাড় পাবে না বলেও হুশিঁয়ারি দিয়েছেন আওয়ামী লীগ নেতারা।

২৬শে মার্চ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষের অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আগমনকে কেন্দ্র করে কয়েক দফা অরাজকতা চালায় হেফাজতে ইসলাম।

ওইসব ঘটনা তদন্তের পর জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া শুরু করেছে সরকার। এ অবস্থায় প্রথমে কাউকে ক্ষমতায় বসানো বা ক্ষমতা থেকে নামানো হেফাজতে ইসলামীর কাজ নয় বলে নরম সুরে কথা বলতে শুরু করেন নেতারা। এরই ধারাবাহিকতায় রবিবার রাতে পূর্ণাঙ্গ কমিটি ভেঙে দিয়ে আহবায়ক কমিটি গঠনের ঘোষণা দেন হেফাজতের আমীর।

আওয়ামী লীগ নেতারা মনে করেন, একটি অরাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে হেফাজতের রাজনীতি করার কোন অধিকার নেই।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেন, “হেফাজতের যত নেতা আছেন সবাই কিন্তু বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা। গ্রেপ্তারের পর তারা সেটি স্বীকার করছেন। তারা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে এ ধরনের নৈরাজ্য চালিয়েছিল। তারা যত কৌশল করুক না কেন, দুষ্কৃতিকারীদের সরকার ছাড় দেবে না, তাদের শাস্তিত আওতায় আনতে সরকার বদ্ধপরিকর।”

মামলা থেকে বাঁচতে হেফাজত কর্মীরা যেন পরিচয় পাল্টে আওয়ামী লীগে অনুপ্রবেশ করতে না পারে সে ব্যাপারেও সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, “হেফাজতের কমিটি বাতিল করা এবং একইদিনে একটি সংক্ষিপ্ত কমিটি করা-এর মধ্য দিয়ে বাবুনগরী শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করছেন। ধর্ম নিয়ে যারা মানুষকে বিভ্রান্ত করে এবং মাদ্রাসার কোমলমতি ছাত্রদের যারা অসৎ কাজে ব্যবহার করেন তাদের আওয়ামী লীগে ঢোকার কোনো সুযোগ নেই।”

২০১৩ সালের পর হেফাজতকে সুযোগ দেয়া হলেও তাদের এবার আর তাদের বিশ্বাস করা যায় না বলেই মনে করেন নেতারা।

শেয়ার করুন »

লেখক সম্পর্কে »

মন্তব্য করুন »

x