‘ভিসা নীতি প্রয়োগের কারণে বিএনপিই বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে’


দৈনিক সিরাজগঞ্জ ডেস্ক প্রকাশের সময় : সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৩, ৭:৫৯ অপরাহ্ন /
‘ভিসা নীতি প্রয়োগের কারণে বিএনপিই বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে’

আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ বলেছেন, মার্কিন ভিসা নীতি নতুন কোনো বিষয় নয়। এটি এ বছরের ২৫ মে যুক্তরাষ্ট্র ঘোষণা করেছিল। এই ভিসা নীতি তারা প্রয়োগ শুরু করেছে। এই ভিসা নীতি বিরোধী দলের উপরেও প্রযোজ্য।

শনিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাতে এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, শুধু তাই নয়, এই নীতির ফলে সবচেয়ে বেশি অসুবিধায় পড়েছে বিএনপি জামায়াত গোষ্ঠী। কারণ এই ভিসা নীতির মূল লক্ষ্যই হচ্ছে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নির্বাচনকে যারা বাধাগ্রস্ত করবে তাদের উপরে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিষেধাজ্ঞা প্রয়োগ করা। আওয়ামী লীগ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত করছে না, নির্বাচনও প্রতিহত করছে না। তাই এই নীতি প্রয়োগের ফলে ‌আওয়ামী লীগের কোনো অসুবিধা নেই। আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায়। বাংলাদেশের এই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা এবং এর স্থিতিশীলতা বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার অবদান। এ দেশে গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা তার মাধ্যমেই পুনরুদ্ধার হয়েছে।

আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ বলেন, মার্কিন ভিসা নীতির প্রয়োগের ফলে কয়েকটি কারণে বিএনপির রাজনীতি বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের এই নীতির কারণে আওয়ামী লীগের কোনো অসুবিধা হবে না। ভিসা নীতি ঘোষণার পর যে চারটি কারণে বিএনপির রাজনীতি বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে।

তিনি বলেন, এতদিন বিএনপি বলে আসছিল, তারা কোনো অবস্থায়ই শেখ হাসিনার সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে না। প্রয়োজনে যে কোনো মূল্যে নির্বাচন প্রতিরোধ করবে তারা। বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে মার্কিন নতুন নীতি অনুযায়ী নির্বাচন প্রতিরোধ করা সবচেয়ে বড় অপরাধ। তাই শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচন প্রতিহত করার বিএনপির সকল ষড়যন্ত্র নস্যাৎ হয়েছে। নির্বাচন প্রতিহত করার লক্ষ্যে বিএনপির যেকোনো সন্ত্রাস ও নাশকতা মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মধ্যে পড়বে।

আওয়ামী লীগের এ নেতা বলেন, বিএনপির বিগত কয়েক বছরের রাজনীতির মূল লক্ষ্য ছিল তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন। তারা বলে আসছে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা ছাড়া শেখ হাসিনার অধীনে তারা নির্বাচনে যাবে না। যুক্তরাষ্ট্রের এই নতুন নীতিতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিএনপির আন্দোলনের প্রতি সহায়ক কিংবা সহানুভূতিশীল কোনো বক্তব্য নেই। এই নীতিতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার কোনো স্বীকৃতি নেই।

বিএনপি প্রায় দুই বছর ধরে বলে আসছিল, নির্বাচনের আগে এমন একটি বিদেশি স্যাংশন আসবে যার ফলে আওয়ামী লীগ সরকার লন্ডভন্ড হয়ে যাবে। এর ফলে বিএনপি তাদের সুবিধাজনক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মাধ্যমে নির্বাচনে ক্ষমতায় আসবে। নির্বাচন চলে আসল। কোনো স্যাংশন আসল না। বরং যে ভিসা নিষেধাজ্ঞা আসলো, সেটি তাদের নির্বাচন প্রতিহত করার ষড়যন্ত্র অনেকটা নস্যাৎ করে দিল, যোগ করেন তিনি।