হেঁটে যেসব কঠিন রোগের ঝুঁকি কমানো যায়


দৈনিক সিরাজগঞ্জ ডেস্ক প্রকাশের সময় : অক্টোবর ১৭, ২০২৩, ১:৩৮ অপরাহ্ন /
হেঁটে যেসব কঠিন রোগের ঝুঁকি কমানো যায়

লাইফস্টাইল ডেস্ক : নিয়মিত হাঁটা ও জগিং করা শরীরের জন্য খুবই উপকারী। তবে জেনে অবাক হবেন, শুধু হেঁটেই কঠিন সব রোগের ঝুঁকি কমানো সম্ভব।

নতুন এক গবেষণা অনুসারে, প্রতিদিন প্রায় ১০ হাজার কদম হাঁটা ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি ৫০ শতাংশ কমাতে পারে। নতুন গবেষণাটি প্রায় ৮০ হাজার ব্যক্তির ফিটনেস ট্র্যাকিং ডেটা পর্যবেক্ষণ করে করা হয়েছে।

গবেষণায় দেখা যায়, যারা প্রতি মিনিটে পদক্ষেপের গতি বাড়িয়েছে তারা দৈনিক হাঁটার কারণে অনেক স্বাস্থ্য সুবিধা পেয়েছেন। তাই নিয়মিত হাঁটার পাশাপাশি গতি বাড়ানোর দিকেও নজর রাখতে হবে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা।

সমীক্ষা অনুসারে, যারা প্রতিদিন ৩০ মিনিটের জন্য দ্রুত গতিতে (প্রতি মিনিট ৮০-১০০ পা) হাঁটেন, তাদের হৃদরোগ বা ক্যানসারের ঝুঁকি ২৫ শতাংশ কম ছিল।

একইভাবে তাদের মধ্যে ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি ৩০ শতাংশ কম ও সর্বজনীন মৃত্যুর ঝুঁকি ৩৫ শতাংশ কম ছিল।

তবে গবেষকদের মতে, একটানা ৩০ মিনিট উচ্চ গতিতে হাঁটা যাদের পক্ষে কষ্টকর, তারা অল্প ব্যবধানে দ্রুত হাঁটার মাধ্যমে একই সুবিধা পেতে পারেন।

আবার একটানা ৩০ মিনিট না হেঁটে দিনের বিভিন্ন সময় ৫-১০ মিনিট করে উচ্চ গতিতে হাঁটলেও একই স্বাস্থ্য সুবিধা পাবেন।

গবেষকরা আরও দেখেছেন, যারা প্রতিদিন গড়ে ৯ হাজার ৮০০ কদম হেঁটেছেন তারাও সবটুকু স্বাস্থ্য সুবিধা পেয়েছেন।

এমনকি যারা দৈনিক ২ হাজার পা হেঁটেছেন তাদের মধ্যেও অকাল মৃত্যু, হৃদরোগের পাশাপাশি ক্যানসারের ঝুঁকি প্রায় ১০ শতাংশ কম ছিল।

হাঁটার পদ্ধতি: সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি), ইউএস এর পরামর্শ অনুযায়ী, ধীরে ধীরে হাঁটা শুরু করতে হবে ও সপ্তাহে ১৫০ মিনিট শারীরিকভাবে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করতে হবে।

হাঁটতে একঘেয়েমি লাগলে পোষা কুকুরকে সঙ্গে নিয়ে হাঁটা যেতে পারে। এতে নিজে না চাইলেও হাঁটতে হবে কুকুরকে ধরে রাখার জন্য। বন্ধুবান্ধব বা প্রতিবেশীদের সঙ্গে আড্ডা দেয়ার সময় হাঁটা যেতে পারে, এছাড়া ফোনে কথা বলার সময়ও পায়চারি করা যেতে পারে।

আবার গন্তব্যস্থলে হেঁটে যাওয়া, লিফটের বদলে সিঁড়ি ব্যবহার করা ইত্যাদির মাধ্যমে সহজেই শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকা যায়।